ভিনগ্রহীরা কি আমাদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছে ?

WOW -ওয়াও! এক রহস্যময় বার্তার !

অনেক বছর আগে, গ্রীষ্মকালের এক গরমের রাত ,সালটা ১৯৭৭ । আমেরিকার ওহাইও স্টেট ইউনিভার্সিটির একদল বিজ্ঞানী মহাকাশের দিকে বিশাল এক রেডিও টেলিস্কোপ তাক করে বসেছিল। এই টেলিস্কোপের নাম ছিল Big Ear (বিগ ইয়ার), মানে 'বড় কান'– কারণ এটি মহাকাশের শব্দ শুনতে পারত! বিজ্ঞানীরা আশা করছিল, হয়তো কোনো একদিন আমরা দূর মহাবিশ্ব থেকে কোনো বার্তা পাব! হঠাৎ, ১৫ আগস্ট ১৯৭৭ তারিখে,Big Ear এক অদ্ভুত এক রহস্যময় সংকেত ধরে ফেলল! 📡 এটি ছিল খুবই শক্তিশালী এবং সরু তরঙ্গের রেডিও সংকেত, যা ঠিক যেন পৃথিবীর বাইরের কোনো জায়গা থেকে আসছে! কয়েক দিন পর, অ্যাস্ট্রোনোমার জেরি আর. এহম্যান (Jerry R. Ehman) যখন এই সংকেতের তথ্য পরীক্ষা করছিলেন, তখন হঠাৎ তাঁর চোখ পড়ল এক অদ্ভুত রেকর্ডিংয়ের ওপর | তিনি এতটাই অবাক হলেন যে, তৎক্ষণাৎ সংকেতের পাশেই লাল কালি দিয়ে লিখে দিলেন – "WOW!"

-কোথা থেকে এলো এই সংকেত? বিজ্ঞানীরা দেখল, সংকেতটি এসেছিল ধনু (Sagittarius) তারামণ্ডলের দিক থেকে!

কিন্তু কে পাঠিয়েছিল?

ভিনগ্রহের কোনো প্রাণী?

কোনো অজানা মহাকাশযান?

নাকি কোনো প্রাকৃতিক মহাজাগতিক ঘটনা?

এই সংকেত ৭২ সেকেন্ড ধরে চলেছিল, তারপর চিরতরে হারিয়ে যায় | বিজ্ঞানীরা বহু বছর ধরে অনেক চেষ্টা করেও আর কখনো এই সংকেত খুঁজে পায়নি। আজও এক রহস্য! আজও বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত নন, এটি কে পাঠিয়েছিল! কেউ বলে, এটি এলিয়েনদের পাঠানো প্রথম "হ্যালো" বার্তা হতে পারে! আবার কেউ বলে, এটি হয়তো কোনো মহাজাগতিক ঘটনা ছিল! কিন্তু সত্যিটা কী? এখনো কেউ জানে না ! আর ঠিক এই কারণেই, এই সংকেতটি মহাকাশের এক 'সবচেয়ে বড় রহস্য' হয়ে রয়ে গেছে! হয়তো একদিন আমরা এর উত্তর খুঁজে পাব | বা হয়তো কোনো একদিন, মহাবিশ্বের অন্য কোনো প্রাণী আমাদের সত্যিকারের উত্তর পাঠাবে!

মহাবিশ্বের সভ্যতা: এক অজানা যাত্রার গল্প!

🏠 Home